এইচ এসসি রসায়ন জ্ঞানমূলক প্রশ্ন-উত্তর
জ্ঞানমূলক প্রশ্ন –উত্তর
প্রশ্ন ১: সুপরিবাহী কাকে বলে?
উত্তর: যেসব পদার্থের ভেতর দিয়ে সহজেই তড়িৎ পরিবহন করে তাদের সুপরিবাহী বা সুপরিবাহী পদার্থ বলে।
প্রশ্ন ২: কুপরিবাহী কী?
উত্তর: কুপরিবাহী হলো ঐসব পদার্থ যাদের ভেতর দিয়ে খুব সামান্য পরিমাণ তড়িৎ পরিবহন করে।
প্রশ্ন ৩ : অপরিবাহী পদার্থ কাকে বলে?
উত্তর: যেসব পদার্থের ভেতর দিয়ে তড়িৎ পরিবহন করতে পারে না তাদের অপরিবাহী পদার্থ বলে।
প্রশ্ন ৪ : ধাতব পরিবাহী কী?
উত্তর: ধাতব পরিবাহী হলো ঐ সকল পরিবাহী যারা ইলেকট্রনের চলাচলের মাধ্যমে তড়িৎ পরিবহন করে।
প্রশ্ন ৫: অ্যানোড কাকে বলে?
উত্তর: যে তড়িৎদ্বার ব্যাটারির ধনাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত থাকে এবং যার মাধ্যমে ইলেকট্রন দ্রবণ ছেড়ে চলে যায় তাকে অ্যানোড বলে।
প্রশ্ন ৬: ক্যাথোড কী?
উত্তর: ক্যাথোড হলো ঐ তড়িৎদ্বার যা ব্যাটারির ঋণাত্মক প্রান্তের সাথে যুক্ত থাকে এবং যার মাধ্যমে ইলেকট্রন ব্যাটারী থেকে দ্রবণে প্রবেশ করে।
প্রশ্ন৭: মৃদু তড়িৎবিশ্লেষ্য কাকে বলে?
উত্তর: যেসব পদার্থ দ্রবণে কম মাত্রায় বিশ্লিষ্ট হয় এবং যাদের তড়িৎ পরিবহন মাত্রা খুবই কম তাদের মৃদু তড়িৎবিশ্লেষ্য পদার্থ বলে।
প্রশ্ন৮: কুলম্ব কাকে বলে?
উত্তর: কোনো পরিবাহীর মধ্যদিয়ে ১.০ সময়ের জন্য ১.০ অ্যাম্পিয়ার তড়িৎ প্রবাহ চালনা করলে পরিবাহীর মধ্যদিয়ে যে পরিমাণ বিদ্যুৎ চার্জ প্রবাহিত হয় তাকে কুলম্ব বলে।
প্রশ্ন৯: তড়িৎ বিভব কাকে বলে?
উত্তর: অসীম দূরত্ব থেকে একটি একক ধনাত্মক আধানকে তড়িৎ ক্ষেত্রের কোনো বিন্দুতে আনলে যে পরিমণ কাজ সম্পন্ন হয় তাকে বিন্দুর তড়িৎ বিভব বলে।
প্রশ্ন১০: অ্যাম্পিয়ার কাকে বলে?
উত্তর: একটি তড়িৎবিশ্লেষ্য পদার্থের জলীয় দ্রবণে সময় ধরে যে পরিমাণ আধান বা চার্জ অর্থাৎ যে পরিমাণ তড়িৎ প্রবাহ চালনা করলে ঐ তড়িৎবিশ্লেষ্য পদার্থে উপস্থিত মৌলের তড়িৎ রাসায়নিক তুল্যাঙ্কের সমপরিমাণ ভরের মৌল অ্যানোডে দ্রবভিূত হয় বা ক্যাথোডে সঞ্চিত হয় তাকে অ্যাম্পিয়ার বলে।
প্রশ্ন১১: তড়িৎ দক্ষতা কাকে বলে?
উত্তর: কোনো তড়িৎ বিশ্লেষণ প্রক্রিয়ায় ক্যাথোডে যে পরিমাণ মৌল জমা হয় এবং ফ্যারাডের সূত্রানুসারে যে পরিমাণ মৌল জমা হওয়ার কথা এ দুয়ের অনুপাতকে তড়িৎ দক্ষতা বলে।
প্রশ্ন১২: ব্লিস্টার কপার কাকে বলে?
উত্তর: আকরিক থেকে নিষ্কাশিত অবিশুদ্ধ কপারকে ব্লিস্টার কপার বলে।
প্রশ্ন১৩: ব্রাইন কাকে বলে?
উত্তর: সোডিয়াম ক্লোরাইডের গাঢ় জলীয় দ্রবণকে ব্রাইন বলে।
প্রশ্ন১৪: নির্দেশক তড়িৎদ্বার কাকে বলে?
উত্তর: জানা বিভবের যে তড়িৎদ্বারের সঙ্গে কোনো পরীক্ষণীয় তড়িৎদ্বার সংযোগ করে একটি রাসায়নিক কোষ গঠন করা হয় এবং জানা বিভবের সাপেক্ষে পরীক্ষণীয় তড়িৎদ্বারটির বিভব নির্ণয় করা হয় তাকে নির্দেশক তড়িৎদ্বার বলে।
প্রশ্ন ১৫: করোসান কী?
উত্তর: করোসান হলো ধাতুর সঙ্গে পরিবেশে উপস্থিত বস্তুসমূহের রাসায়নিক বিক্রিয়ার ফলে ধাতুর ক্ষয় হওয়ার প্রক্রিয়া।
প্রশ্ন১৬: এরোসান কাকে বলে?
উত্তর: যান্ত্রিক পদ্ধতিতে ধাতুর যে ক্ষয় হয় তাকে এরোসান বলে।
প্রশ্ন ১৭: ফুয়েল সেলে মেমব্রেন কী কাজে ব্যবহার করা হয়?
উত্তর: ফুয়েল সেলে মেমব্রেন হচ্ছে একটি পৃথককারী স্তর যা অ্যানোড ও ক্যাথোড অঞ্চঢ়ল পৃথক রাখতে সহায়তা করে।
প্রশ্ন ১৮: জারণ বিভব কী?
উত্তর: জারণ বিভব হলো ইলেকট্রন অপসারণ করে জারণ ঘটাতে প্রয়োজনীয় শক্তি।
প্রশ্ন ১৯: বিজারণ বিভব কাকে বলে?
উত্তর: ইলেকট্রন গ্রহণ করে বিজারণ ঘটাতে যে পরিমাণ শক্তি লাগে তাকে বিজারণ বিভব বলে ।
প্রশ্ন ২০: মুখ্য নির্দেশক তড়িৎদ্বার কাকে বলে?
উত্তর: যে তড়িৎদ্বারের বিভব সরাসরি নির্ণয় করা যায় তাকে মুখ্য বা প্রাইমারী নির্দেশক তড়িৎদ্বার বলা হয়।
প্রশ্ন ২১: ধাতুর ক্ষয় কী?
উত্তর: কোনো ধাতু পরিবেশ থেকে পানি ও অক্সিজেন সহযোগে বিক্রিয়া করে ক্ষয়প্রাপ্ত হলে তাকে ধাতু ক্ষয় বলে।
প্রশ্ন ২২: প্রাইমারি কোষ কী?
উত্তর: যে বিদ্যুৎ কোষে রাসায়নিক শক্তি থেকে বিদ্যুৎ শক্তি উৎপন্ন হয় এবং কোষের বিক্রিয়াগুলো পুনরুজ্জীবিত হয় না তাকে প্রাথমিক কোষ বলে।
প্রশ্ন ২৩: ফুয়েল সেলে কোনো বিক্রিয়ার মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়?
উত্তর: ফুয়েল সেলের ইলেকট্রোড দুটিতে সংঘটিত রিডক্স বিক্রিয়া দ্বারা ফুয়েল থেকে বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়।